Hits: 0
রাখী সাহা : শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বন্ধ জুটমিলগুলি খোলার ব্যাপারে এবার হুগলী -শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা আই এন টি টি ইউ সি ‘র পক্ষ থেকে শ্রীরামপুরের ডিস্ট্রিক্ট লেবার কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া হলো এক গণ ডেপুটেশন।
ডেপুটেশনে বলা হয়েছে, শ্রীরামপুর সাবডিভিশনের অন্তর্গত ইন্ডিয়া জুটমিল, ওয়েলিংটন জুটমিল, নর্থব্রুক জুটমিল – যা বিভিন্ন কারণবশত বন্ধ হয়ে পড়ে আছে বা কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে জুটমিলগুলিকে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে কয়েক হাজার শ্রমিক পরিবার অসহায় অবস্থার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। অবিলম্বে এই জুটমিলগুলি খোলার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আজ সকালে রিষড়ার ওয়েলিংটন জুটমিলের সামনে আই এন টি টি ইউ সি’র পক্ষ থেকে এক পথসভার আয়োজন করা হয় । যেখানে বন্ধ চটকলগুলি খোলার ব্যাপারে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চটের বস্তার বদলে প্লাস্টিকের বস্তাকে বরাত দেওয়ার ব্যাপারে এবং জুট বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, শ্রীরামপুর শহর তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি সন্তোষ কুমার সিং, রিষড়া শহর তৃণমুল কংগ্ৰেসের সভাপতি হর্ষ প্রসাদ ব্যানার্জি, হুগলী -শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা আই এন টি টি ইউ সি’র সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী, সহ সভাপতি কবীর বোস , শ্রীরামপুর শহর আই এন টি টি ইউ সি’র সভাপতি সৌমেন দাসসহ অন্যান্যরা । এরপর শ্রমজীবী মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে সকলে মিলে রিষড়া ওয়েলিংটন জুটমিলের সামনে থেকে মিছিল করে শ্রীরামপুর ইন্ডিয়া জুটমিল পর্যন্ত যান।
শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত তাই জানি কিভাবে শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে হয়। আমি জিতে এলে এই রিষড়া শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে নতুনভাবে পলিসি তৈরি করা হবে এবং ঢেলে সাজানো হবে এই শিল্পাঞ্চলকে। আর কোনদিনও এখানকার মিলগুল বন্ধ হতে দেবো না। হুগলী -শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা আই এন টি টি ইউ সি ‘র সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী বলেন , শ্রমিকদের স্বার্থে আজ আমরা গণ ডেপুটেশন জমা দিচ্ছি , আশা করছি খুব শীঘ্রই বন্ধ চটকলগুলি খুলে যাবে। শ্রীরামপুর শহর তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি সন্তোষ কুমার সিং বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের জুট বিরোধী নীতির ফলেই বাংলার চটকলগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার পরিবেশবান্ধব জুটের বদলে প্লাস্টিক কারখানাগুলিকে উৎসাহিত করছেন। বরাত না থাকায় এ রাজ্যে জুটের বস্তার উৎপাদন কমছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক চটকল আর এরফলে সমস্যায় পড়ছেন শ্রমিকরা ।
